কর্মী অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা
কর্মী অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা হলো একটি আনুষ্ঠানিক ও সহজলভ্য মাধ্যম, যা কর্মীদের কর্মক্ষেত্রের উদ্বেগ, নিরাপত্তা ঝুঁকি, মজুরি সংক্রান্ত অসঙ্গতি বা হয়রানির মতো বিষয়গুলো সরাসরি সুপারভাইজারের কাছে না গিয়েও (যদি সুপারভাইজার নিজেই সমস্যার উৎস হন) জানানোর সুযোগ দেয় এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তার জবাব পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয়। এটি একটি কাঠামোগত সুরক্ষা ব্যবস্থা, কারণ নিরাপদ অভিযোগ জানানোর মাধ্যম না থাকলে বা অভিযোগ যদি অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছেই ফিরে যায়, তবে একটি সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো চাপা পড়ে যায়। কার্যকর ব্যবস্থাগুলো গোপনীয় এবং প্রতিশোধের বিরুদ্ধে স্পষ্ট সুরক্ষা প্রদান করে। কারণ কর্মীরা যদি ভয় পান যে অভিযোগ করলে তাদের শাস্তি পেতে হবে, তবে আনুষ্ঠানিক মাধ্যমটি কাগজে-কলমে যতই ভালো হোক না কেন, তা অব্যবহৃত থেকে যাবে। তাই প্রতিশোধ না নেওয়ার নীতি এবং কর্মীদের প্রকৃত বিশ্বাসই হলো এই ব্যবস্থার কার্যকারিতার আসল পরীক্ষা। একক মাধ্যমের পরিবর্তে হটলাইন, পরামর্শ বাক্স, মনোনীত কর্মী প্রতিনিধি বা অভিবাসী ও ঝুঁকিপূর্ণ কর্মীদের জন্য তৃতীয় পক্ষের ন্যায়পাল (ombudsperson) ব্যবহারের সুপারিশ করা হয়, কারণ সাক্ষরতা, ভাষা এবং স্বাচ্ছন্দ্যের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন কর্মী বিভিন্ন মাধ্যমের ওপর আস্থা রাখতে পারেন। সামাজিক সম্মতি নিরীক্ষকরা একটি সক্রিয় এবং ব্যবহৃত অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাকে, যার সমাধানের রেকর্ড রয়েছে, কর্মীদের কণ্ঠস্বরের শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করেন। কারণ যে মাধ্যম কেউ ব্যবহার করে না, তা থেকে প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত বা সমাধানের কোনো সংকেত পাওয়া যায় না।