ইনকিউবেশন তাপমাত্রা ও হ্যাচিং সাফল্য
ডিমের ইনকিউবেশন তাপমাত্রা মাছের ডিমে ভ্রূণের বিকাশের গতি ও সমলয়তা নিয়ন্ত্রণ করে এবং হ্যাচিং সাফল্যের প্রধান নিয়ামক। প্রতিটি প্রজাতির একটি সর্বোত্তম তাপমাত্রা পরিসীমা রয়েছে: ট্রাউট ও স্যামন 8-12 C, কার্প 20-24 C, সি-ব্রিম ও সি-বাস 16-20 C, তেলাপিয়া 26-30 C তাপমাত্রায় সবচেয়ে ভালো বিকশিত হয়। সহনীয় পরিসীমার মধ্যে বিকাশের সময় মোটামুটি থার্মাল-সাম নিয়ম অনুসরণ করে, তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে ফোটার সময় দ্রুত কমে যায়; উচ্চ সীমা অতিক্রম করলে বিকৃতি, অসম্পূর্ণ কুসুম শোষণসহ অকাল হ্যাচিং এবং ব্যাপক মৃত্যু ঘটে, আর নিম্ন সীমায় বিকাশ স্থবির হয়ে ছত্রাক সংক্রমণ (Saprolegnia) এর ঝুঁকি বাড়ে। তাপমাত্রা পরবর্তী ফেনোটাইপকেও প্রোগ্রাম করে: ইনকিউবেশন তাপমাত্রা তাপমাত্রা-নির্ভর লিঙ্গ নির্ধারণযুক্ত প্রজাতিতে লিঙ্গ অনুপাতকে প্রভাবিত করে এবং পরবর্তী জীবনে বৃদ্ধির কর্মক্ষমতা ও কশেরুকার সংখ্যাকে প্রভাবিত করতে পারে। কার্যক্ষেত্রে হ্যাচারিগুলো ঠান্ডা বা গরম পানি ব্যবহার করে লক্ষ্য তাপমাত্রার plus or minus 1 C এর মধ্যে তাপমাত্রা ধরে রাখে, দ্রবীভূত অক্সিজেন 6 mg/L এর উপরে পর্যবেক্ষণ করে কারণ উষ্ণ পানিতে অক্সিজেন কম থাকে অথচ ভ্রূণের চাহিদা বেশি, এবং প্রতি ঘণ্টায় 2 C এর বেশি আকস্মিক ওঠানামা এড়িয়ে চলে। হ্যাচিং হার যাচাই করা হয় নমুনা ট্রেতে আইড ডিম (eyed eggs) বনাম মৃত (অস্বচ্ছ সাদা) ডিম গণনা করে।