অ্যাকুয়াফিডে ব্লাড মিল
ব্লাড মিল হলো প্রাণীর রক্ত, প্রধানত গরু বা শূকরের রক্ত থেকে স্প্রে-ড্রাইড বা স্টিম-ড্রাইড পদ্ধতিতে প্রস্তুতকৃত রেন্ডার্ড পণ্য, যাতে 85-90% ক্রুড প্রোটিন থাকে এবং অ্যামিনো অ্যাসিড প্রোফাইল লাইসিনে অত্যন্ত সমৃদ্ধ (প্রায়শই প্রোটিনের 8-10%) কিন্তু আইসোলিউসিন প্রায় অনুপস্থিত এবং মেথিওনিন কম — এই প্রোফাইলটি শস্য ও তৈলবীজের খৈলকে কার্যকরভাবে পরিপূরক করে। ভালোভাবে প্রক্রিয়াজাত স্প্রে-ড্রাইড ব্লাড মিলের হজমযোগ্যতা উচ্চ, প্রোটিনের জন্য 90%+। অ্যাকুয়াফিডে এটি সাধারণত 2-8% হারে সর্বভুক ও ক্রাস্টেসিয়ান ডায়েটে (তেলাপিয়া, ক্যাটফিশ, কার্প, চিংড়ি) লাইসিন সরবরাহ এবং পানিতে পেলেটের স্থায়িত্ব বাড়ায় এমন শক্তিশালী বাইন্ডিং বৈশিষ্ট্যের জন্য ব্যবহৃত হয়। অতিরিক্ত মাত্রায় অন্তর্ভুক্তি কিছু প্রজাতিতে স্বাদজনিত কারণে এবং উচ্চ খনিজ (আয়রন, সোডিয়াম) লোডের কারণে খাদ্য গ্রহণ কমিয়ে দেয়। গুণগত ঝুঁকি মূলত প্রক্রিয়াজাতকরণ দ্বারা নির্ধারিত: অতিরিক্ত তাপে পোড়া গাঢ় রঙের মিলে লাইসিনের প্রাপ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায় এবং রিঅ্যাকটিভ লাইসিন বিশ্লেষণ দ্বারা পরীক্ষা করা উচিত, অন্যদিকে অপর্যাপ্ত শুকানোতে সালমোনেলা ও ছত্রাকের ঝুঁকি থাকে; আর্দ্রতা 10% এর নিচে এবং কম বায়োজেনিক অ্যামাইন মাত্রা আদর্শ স্পেসিফিকেশন। নিয়ন্ত্রক অবস্থা ভিন্ন: EU-তে রক্তজাত পণ্য শুধুমাত্র নন-রুমিন্যান্ট উৎস থেকে হতে হবে এবং প্রসেসড অ্যানিমাল প্রোটিন বিধির আওতায় পড়ে, যেখানে কিছু বাজারে এটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বা সীমিত। এটি সাধারণত শুধুমাত্র আঞ্চলিকভাবে, কসাইখানা ক্লাস্টারের কাছাকাছি, ফিশ মিলের সাথে খরচ-প্রতিযোগিতামূলক।